শেষ বিকেলের মেয়ে
ভালোবাসা অনেকটা চক্রবিহীন গোলকধাঁধার মতো. যেখানে হয়তো আপনি ভালোবাসেন একজনকে, সে হয়তো ভালোবাসে অন্যকাউকে আবার দেখা যায় কেও হয়তো আপনাকে নিয়েই তার প্রতিটা স্বপ্ন দেখে কিন্তু আপনি ঘুনাক্ষরেও তা জানেন না বা বুঝতে চান না. ভালোবাসা এমনটাই হয়. যদিওবা ভালোবাসার হাজারো রঙ, হাজারো প্রকারভেদ রয়েছে তবুও ভালোবাসা শব্দটা শুনলেই প্রেমিক-প্রেমিকার ভালোবাসার কথাটাই সবার আগে মনে পড়ে. শেষ বিকেলের মেয়ে জহির রায়হানের এক রোমাঞ্চকর উপন্যাস। উপন্যাসটি পড়ার সময় আপনি এক অদ্ভুত রোমাঞ্চকর দুনিয়ায় নিজেকে খুজে বেড়াবেন।
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কাসেদ, একটি ছোটখাটো চাকরি করে পাশাপাশি টুকটাক লেখালেখিও করে। সে এক অদ্ভুত ভালোবাসার বেড়াজালে নিজেকে খুজে বেড়ায়। তার ভালোবাসার মানুষটির নাম জাহানারা। তার মন জুড়ে শুধুই জাহানারা থাকতো। জাহানারার নাম শুনলেই তাকে নিয়ে চলে যেত এক কল্পনার জগতে। কাসেদের বাড়িতে মানুষ বলতে সে, তার মা আর দুঃসম্পর্কের বোন নাহার. ময়লা রঙের, ছিপছিপে গড়নের দেহের মেয়ে নাহারই তাদের পুরো সংসারটাকে সামলে রাখতো। মায়ের দেখাশোনা থেকে শুরু করে কাসেদের সব দেখভাল করতো নাহার। এই তিনজন নিয়েই তাদের পরিবার। গল্পের আরেক চরিত্র সালমা, কাসেদের খালাতো বোন। কাসেদকে ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসতো তা যেন কাসেদ বুঝেও বুঝতোনা. তাই আজ সে অন্য কারো ঘর করছে। সেখানে সুখ নামক জিনিসের অভাবে বারবার চাইতো কাসেদ যেন তাকে নিয়ে কোথাও চলে যায় কিন্তু কাসেদের মনে তখনো শুধু জাহানারাই ছিল। হঠাৎ আবির্ভাব ঘটে শিউলির। জাহানারার কাজিন। জাহানারার জন্মদিনের দিন পরিচয় হয় শিউলির সাথে। একসময় খুব ভালো বন্ধুত্ব হয় দুজনের। ভালোই চলছিল তাদের বন্ধুত্ত্ব হঠাত শিউলির কাছে জানতে পারে জাহানারা আর সেতার মাস্টারের মধ্যে নাকি কিছু চলছে যা শুনে খুবই কষ্ট পায় কাসেদ।
একসময় জাহানারাকে ভুলতেই হয়তো শিউলিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে কাসেদ। শিউলি অন্য কারো বাগদত্তা হওয়ায় কাসেদকে এবারো নিরাশ হতে হয়৷ এরই মাঝে অফিসের মকবুল সাহেবের মেজো মেয়েকে দেখে ভালো লেগে যায় কাসেদের কিন্তু ঠিক বুঝে উঠার আগেই বড় সাহেবের সাথে বিয়ে হয়ে যায় তার। তা দেখেই কাসেদ ভাবতো হয়তো মুখ ফুটে কিছু বললে আজ সে তার স্ত্রী হতে পারতো৷ ওদিকে ভীষণ অসুখে কাসেদের মা মারা যায় তারপরেই নাহারের বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। নাহারকে নিয়ে যায় কাসেদের খালু। একসময় কাসেদ ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারিয়ে খুব একা হয়ে যায়। হঠাত একদিন পড়ন্ত বিকেলে দরজায় কেও আসে। যাকে দেখে কাসেদ চমকে উঠে..
দরজায় ছিল নাহার। নিজের বিয়ে ছেড়ে চলে এসেছে। কারণ জিজ্ঞাস করতেই নাহার বলেছিল তার যে বিয়ে হয়ে গিয়েছে আগেই, তাকে ছেড়ে কিভাবে থাকবে অন্য জায়গায়…
উপন্যাসটি পড়ার পরে অনেকের মনেই প্রশ্ন থেকে যায় আসল শেষ বিকেলের মেয়ে বলতে লেখক কাকে বুঝিয়েছেন। নাহারই সেই শেষ বিকেলের মেয়ে। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সে কাসেদের জীবনে এসেছিল বলেই হয়তো লেখক তাকেই শেষ বিকেলের মেয়ে আখ্যা দিয়েছেন।
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কাসেদ, একটি ছোটখাটো চাকরি করে পাশাপাশি টুকটাক লেখালেখিও করে। সে এক অদ্ভুত ভালোবাসার বেড়াজালে নিজেকে খুজে বেড়ায়। তার ভালোবাসার মানুষটির নাম জাহানারা। তার মন জুড়ে শুধুই জাহানারা থাকতো। জাহানারার নাম শুনলেই তাকে নিয়ে চলে যেত এক কল্পনার জগতে। কাসেদের বাড়িতে মানুষ বলতে সে, তার মা আর দুঃসম্পর্কের বোন নাহার. ময়লা রঙের, ছিপছিপে গড়নের দেহের মেয়ে নাহারই তাদের পুরো সংসারটাকে সামলে রাখতো। মায়ের দেখাশোনা থেকে শুরু করে কাসেদের সব দেখভাল করতো নাহার। এই তিনজন নিয়েই তাদের পরিবার। গল্পের আরেক চরিত্র সালমা, কাসেদের খালাতো বোন। কাসেদকে ছোটবেলা থেকেই ভালোবাসতো তা যেন কাসেদ বুঝেও বুঝতোনা. তাই আজ সে অন্য কারো ঘর করছে। সেখানে সুখ নামক জিনিসের অভাবে বারবার চাইতো কাসেদ যেন তাকে নিয়ে কোথাও চলে যায় কিন্তু কাসেদের মনে তখনো শুধু জাহানারাই ছিল। হঠাৎ আবির্ভাব ঘটে শিউলির। জাহানারার কাজিন। জাহানারার জন্মদিনের দিন পরিচয় হয় শিউলির সাথে। একসময় খুব ভালো বন্ধুত্ব হয় দুজনের। ভালোই চলছিল তাদের বন্ধুত্ত্ব হঠাত শিউলির কাছে জানতে পারে জাহানারা আর সেতার মাস্টারের মধ্যে নাকি কিছু চলছে যা শুনে খুবই কষ্ট পায় কাসেদ।
একসময় জাহানারাকে ভুলতেই হয়তো শিউলিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসে কাসেদ। শিউলি অন্য কারো বাগদত্তা হওয়ায় কাসেদকে এবারো নিরাশ হতে হয়৷ এরই মাঝে অফিসের মকবুল সাহেবের মেজো মেয়েকে দেখে ভালো লেগে যায় কাসেদের কিন্তু ঠিক বুঝে উঠার আগেই বড় সাহেবের সাথে বিয়ে হয়ে যায় তার। তা দেখেই কাসেদ ভাবতো হয়তো মুখ ফুটে কিছু বললে আজ সে তার স্ত্রী হতে পারতো৷ ওদিকে ভীষণ অসুখে কাসেদের মা মারা যায় তারপরেই নাহারের বিয়ে ঠিক হয়ে যায়। নাহারকে নিয়ে যায় কাসেদের খালু। একসময় কাসেদ ভালোবাসার মানুষগুলোকে হারিয়ে খুব একা হয়ে যায়। হঠাত একদিন পড়ন্ত বিকেলে দরজায় কেও আসে। যাকে দেখে কাসেদ চমকে উঠে..
দরজায় ছিল নাহার। নিজের বিয়ে ছেড়ে চলে এসেছে। কারণ জিজ্ঞাস করতেই নাহার বলেছিল তার যে বিয়ে হয়ে গিয়েছে আগেই, তাকে ছেড়ে কিভাবে থাকবে অন্য জায়গায়…
উপন্যাসটি পড়ার পরে অনেকের মনেই প্রশ্ন থেকে যায় আসল শেষ বিকেলের মেয়ে বলতে লেখক কাকে বুঝিয়েছেন। নাহারই সেই শেষ বিকেলের মেয়ে। কোন এক পড়ন্ত বিকেলে সে কাসেদের জীবনে এসেছিল বলেই হয়তো লেখক তাকেই শেষ বিকেলের মেয়ে আখ্যা দিয়েছেন।
"ভালোবাসাগুলো ঠিক এমনই হয়। হয়তো আপনি জানেনই না আপনার মনের অজান্তেই কেও আপনার জীবনে চলে এসেছে। দিন শেষে যে আপনাকে ভালোবাসে সেই আপনার যোগ্য জীবনসাথী..."
You can download this book from here- Click here to download PDF

No comments