HAPPINESS or HAPPYNESS?
Happiness or Happyness?
জীবনেতো আমরা সবাই সুখী হতে চাই। কিন্তু সুখী হওয়ার জন্য পরিশ্রম করার মনোবল কতজনের থাকে? স্বপ্ন দেখার মতো করে খূব সহজে সুখী হতে চাই আমরা কিন্তু মাঝখানের পরিশ্রমের অধ্যায়টা বাদ দিয়ে দেই আমরা। কথায় আছেনাঃ
"কাঁটা হেরি ক্ষান্ত কেন কমল তুলিতে, দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে?"
এর সহজ সরল অর্থ হলো দুঃখ ছাড়া সুখ লাভ করা যায়না।
আজ আপনাদের সাথে
এমন এক সিনেমা নিয়ে
কথা বলবো যে সিনেমা হয়তো
আপনাদের মনে সুখী মানুষ হতে পরিশ্রম করার অনুপ্রেরণা জাগ্রত করতে পারে। The Pursuit of Happyness, ২০০৬ সালে ক্রিস গার্ডনার নামক এক ব্যক্তির সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত একটি হলিউড সিনেমা। সিনেমাটির পরিচালনায় ছিলেন Gabirele Muccino। অভিনয়ের প্রধান ভূমিকায় ছিলেন Will Smith ও তার ছেলে
Jaden Smith. এখন পর্যন্ত সিনেমাটি হলিউডের অন্যতম সেরা একটি সিনেমা। ২০০৭ সালে Will Smith এই সিনেমায় প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার জন্য অস্কার নমিনেশন পেয়েছিলেন।
![]() |
| The Pursuit of Happyness |
সার-সংক্ষেপঃ (Spoiler Alert!)
ক্রিস গার্ডনার একজন সেলসম্যান। চিকিৎসকদের কাছে বোন ডেনসিটি স্ক্যানার মেশিন সেল করাই তার কাজ। অনেক স্বপ্ন নিয়ে ইনভেস্ট করে কাজটি শুরু করেছিলেন কিন্তু এক্স-রে মেশিনের জন্য
তার মেশিন বিক্রিতে ব্যাঘাত ঘটে। কমে যায় তার সেল রেট। সংসারে শুরু হয় প্রচন্ড অভাব।
পুরো সংসারটাকে তার স্ত্রীর সামলাতে হচ্ছিল। এক পর্যায়ে না
পেরে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর থেকে শুরু হয় ক্রিস গার্ডনার
ও তার ৫ বছরের ছেলে
ক্রিস্টোফার কে নিয়ে স্ট্রাগল
পিরিয়ড । বাড়ি ভাড়া
না দিতে পারায় ছেড়ে দিতে হয় বাসা। কিছুদিনের
জন্য মোটেলে থাকলেও সেখানেও ভাড়া দিতে না পারায় বের
করে দেওয়া হয় তাদের। অবশেষে
রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে হোমলেস মানুষদের সাথে থাকতে হয় তাদের।
একটি
মেশিন বিক্রি করতে পারলে এক সপ্তাহের খরচ
চালাতে পারতো কোনভাবে। এরই মাঝে ক্রিস গার্ডনার একটি স্টক ফার্মে বিনা বেতনে ৬ মাসের ইন্টার্নশিপের
সুযোগ পায় যেখান থেকে মাত্র একজনকে পার্মানেন্টলি জব দেওয়া হবে।
কোন বেতন নেই দেখে ক্রিস প্রথমে করতে চায়নি কিন্তু হয়তো এটাই সফল হওয়ার তার শেষ সুযোগ হতে পারে তাই শেষ পর্যন্ত লুফে নেয় সুযোগটি। চরম পর্যায়ের হতাশার মধ্যে দিয়ে সময় পার করতে হচ্ছিল তাদের। কখনো রেলস্টেশনের বাথরুমে রাত কাটাতে হচ্ছিল, কখনো বা চার্চ এ
থাকার জন্য বিশাল লাইনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাড়িয়ে
থেকে এক রাত থাকার
সুযোগ পেত। ছেলের দেখভাল করা, ইন্টার্নশিপ, মেশিন সেল করা, এসব কিছু নিয়েই তার দিন অতিবাহিত হচ্ছিল। ওই যে কথায় আছেনা দুঃখ
বিনা সুখ কি লাভ হয়
মোহিতে? কথাটির মতই দীর্ঘ সময় পরিশ্রমের ফসল হিসেবে ক্রিস কি সেই স্টক
ফার্মে পার্মানেন্ট জব পায় নাকি
তার কষ্টের জীবন চলতেই থাকে? প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে অবশ্যই সিনেমাটি দেখতে হবে।
আপনার হতাশাময় জীবনে সিনেমাটি অনুপ্রেরণা হয়ে দাড়াতে পারে।
সিনেমায় ক্রিস এর স্ট্রাগল পিরিয়ডকে
কিছু চ্যাপ্টারে ভাগ করা ছিল যা থেকে অনেককিছু
উপলব্ধি করা যায়। তার বোকামি, লাইফের টার্নিং পয়েন্ট সবকিছুই খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
মুভিটির নাম Happiness না হয়ে Happyness কেন
এই নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন উঠে। সিনেমাটিতে একটি বিখ্যাত ডায়লগ আছে-
"There is no "Y" in happiness."
সিনেমাটি
সম্পুর্ন দেখলে এর উত্তর আপনা আপনি
পেয়ে যাবেন। ক্রিস তার ছেলেকে একটি উপদেশ দিয়েছিল হয়তো সেটি আমাদের সবার কাজে লাগতে পারে-
"Don't ever let anybody tell you, 'You can't do something'. Not even me. You got a dream ,you gotta protect it. People can't do something themselves, they wanna tell you that you can't do it, You want something, go get it."
One thing I have to admit that-
"There is no excuse in reaching our dreams and happiness comes through the long period of unhappiness."


❤❤❤
ReplyDelete❤❤❤
ReplyDelete